কলকাতা২৪লাইভ(Kolkata24live): বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট। তার চূড়ায় ওঠা পর্বতারোহীদের জন্য গর্বের ব্যাপার। কিন্তু এতদিন এভারেস্ট চূড়ার উদ্দেশ্যে অভিযানে নেমে ব্যর্থ হয়েও দাবি করা হয়েছিল যে, এভারেষ্ট জয়ী সে। এভাবে দিনের পর দিন শুধু পর্বতারোহীর মুখের কথায় এবং ছবি দেখে বিশ্বাস করা হত যে সে এভারেস্ট চূড়ায় পা রেখেছে। উল্লেখ্য গত বছর এ দেশ থেকে যাওয়া দুই পর্বতারোহী মাউন্ট এভারেস্টের চুড়ায় ওঠার দাবি করেছিলেন। পরে তাদের সেই চুড়ায় ওঠার ছবি ভুয়া ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর তাদের দশ বছরের জন্য নেপালে পর্বতারোহণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নেপালের কর্তৃপক্ষ।

hh

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু এই পর্বত মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ না করেই অনেক পর্বতারোহী এভাবেই মিথ্যাচার করেন বলে অনেক দিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে। এবার থেকে সেট আর করা যাবে না। নয়া ব্যবস্থা নিচ্ছে নেপালের সরকার। এই বছর যারা মাউন্ট এভারেস্টে আরোহণ করবেন তাদের জিপিএস ট্র্যাকিং ডিভাইস দেবে নেপালের সরকার।

hhg

নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন বিষয়টি যদি এবছর সফল হয় তাহলে আগামী বছর থেকেই পর্বতারোহীদের জন্য এ ধরনের যন্ত্র বহন বাধ্যতামূলক করা হবে। এরফলে এভারেস্ট জয়ের ঝুঁকি কিছুটা কমবে। এবং প্রতিবছর হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের উদ্দ্যেশে যাওয়া পর্ব্বতারোহীরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে পাহাড়ে ওঠে। আবহাওয়ার তারতম্যে একটু এদিক থেকে ওদিক হয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গে নিজেদের জীবনটি হারিয়ে যায়। এই জিপিএস চালু হলে বিপদে পড়া পর্বতারোহীর প্রাণ বাঁচানো এবং দুর্গম পাহার থেকে বাঁচানো সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

hh

নেপাল সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্তৃপক্ষ বলেছেন, শুধু এভারেস্টের চূড়ায় অবস্থানের প্রমাণ হিসাবে নয়, এতে করে কোনো পর্বতারোহী বিপদে পড়লে তাকে খুঁজে পাওয়া সহজ হবে। কিন্তু একই সাথে এভারেস্টের চূড়ায় না উঠেই অনেকে তার যে দাবি জানিয়ে থাকেন সেটিও এই যন্ত্র দিয়ে ধরে ফেলা যাবে। হিমালয়ের বিভিন্ন পর্বতের চুড়ায় ওঠার মূল মরশুম হলো এপ্রিল ও মে মাস। শত শত পর্বতারোহী প্রতিবছর এই সময় নেপালে পাড়ি জমায়। এবছর এই মরশুম শুরুর আগে বহু পর্বতারোহী প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।

gfd