কলকাতা২৪লাইভ(Kolkata24live):    খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসে সাংবাদিকের সামনে মা শেফালী রানী রায় ও মেয়ে শিমা রায় তাদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন।  শেফালী রানী তার লিখিত বক্তবে বলেন, এক বছর আগে প্রতারক  তাজউদ্দিন  মানিক প্রেমের ফাঁদে ফেলে বরিশালের উজিরপুর তারাশিরা এলাকার শুভ রঞ্জনের মেয়ে শিমা রায়কে (২০) নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করেন। এরপর শিমার পরিবার বাধ্য হয়ে মেয়ের সুখের কথা ভেবে বিয়ে মেনে নেয়। খুলনার খালিশপুর থানাধীন মুজগুন্নী আবাসিক এলাকার ৯ নম্বর রোডের ১০২ নম্বর বাড়ির মালিক আব্দুল আজিজের ছেলে চাকরিচ্যুত পুলিশের এসআই তাজউদ্দিন মানিকের (৪১) পরিবারটির অভিযোগ, তাদের জীবননাশের হুমকিসহ অন্তঃসত্ত্বা কন্যাকে নিয়ে ভারতে চলে যাওয়ার জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে। সুযোগ সন্ধানী তাজউদ্দিন  মানিক ব্যবসার নামে শিমার পরিবারের কাছ থেকে নগদ ও স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ৭৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর শিমা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে মানিকের সাবেক রূপ বেরিয়ে আসতে থাকে। শুরু হয় শিমাকে তাড়ানো ও সকল টাকা পয়সা আত্মসাতের প্রক্রিয়া। তাজউদ্দিন মানিক এর আগেও তিনটি বিয়ে করেছেন। তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট ডলি, দিতীয় স্ত্রী মেহেরপুরের জনৈক নাহার খাতুন এবং তৃতীয় স্ত্রী পিরোজপুর জেলার সাথী আক্তার। তাদের সঙ্গেও একই ধরনের প্রতারণা করেছেন। প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা মামলা  স্থায়ীভাবে পুলিশ থেকে চাকরিচ্যুত হয়েছে তাজউদ্দিন মানিক। তবে এখন পর্যন্ত তার অপরাধ থেমে নেই। তার বিরুদ্ধে এ সকল বিষয়ে একাধিক মামলা হলেও সে আইনের ফাঁক-ফোকড় দিয়ে বেরিয়ে আসে।  তবে এ ঘটনায় খালিশপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমীর তৈমূর ইলী বলেন, গত ১৮ মে মানিকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। এই মামলায় সে আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে এসে সাংবাদিকের সামনে মা শেফালী রানী রায় বলেন  হিন্দু পরিবারটির অভিযোগ, তাদের জীবননাশের হুমকিসহ অন্তঃসত্ত্বা কন্যাকে নিয়ে ভারতে চলে যাওয়ার জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে।