কলকাতা২৪লাইভ (kolkata24live) :    গোর্খাল্যাণ্ডের দাবিতে মোর্চার দাবি ক্রমেই আরো জোরালো হচ্ছে। পাল্টা চাপের খেলায় নেমেছে প্রশাসন। ফলত পাহাড়ে সৃষ্টি হয়েছে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। পর্যটন শিল্পে ভাটা পড়েছে। আবাসিক পড়ুয়াদের সমতলে নিয়ে আসার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে, চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রায় স্তব্ধ।  চলতি মাসের প্রায় আট তারিখ থেকে শৈল শহর সহ একাধিক জায়গায় পরিস্থিতি ক্রমে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। টানা বনধ্ -এ প্রায় স্তব্ধ জনজীবন। লাগাতার চলছে মোর্চার বিক্ষোভ মিছিল। মোর্চার তরফ থেকে জানানো হয়েছে পুলিশের গুলিকে প্রাণ হারিয়েছে একাধিক আন্দোলনকারী। তবে অনেকেই মনে করেছিলেন মোর্চা নেতা বিমল গুরুঙ্গ গা ঢাকা দিয়েছেন। তবে জানা গিয়েছে ,বৃহস্পতিবার পাতেলাবাস থেকে সমর্থন উদ্দেশ্য তিনি বলেছেন ” আমি ভয় পায়নি বা পালিয়ে যায়নি। অনেকে আমায় লুকিয়ে থাকতে বলেছিলেন, কিন্তু আমি শুনিনি। “প্রশাসনের তরফ থেকে পাহাড়ে সেনা মোতায়নের ব্যাপারে তিনি বলেন, ” পুলিশ যা করছে তা ঠিক নয়। কিষেণজির মতো আমাকেও ওরা মারতে চায়। “গোর্খাদের দেশভক্তির ইতিহাস অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল। দার্জিলিংয়ের বাসিন্দাদের দাবি পূরণবুধবার রাজনাথ সিংহকে পাঠানো চিঠিতে পবন চামলিং লিখেছেন,  চামলিঙের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, ‘আমরা সহিষ্ণুতার পরিচয় দিতে চাই’। দার্জিলিং নিয়ে অন্য রাজ্য দায়িত্ববোধের পরিচয় দেবে বলেও আশা প্রকাশপৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে মোর্চার বিক্ষোভে পাহাড় অশান্ত।